জানিস আরোবি এরা না আমার কথা কেউ বিশ্বাস করছে না । সবাই বলছে আমি নাকি পাগল । আচ্ছা তুই বল আমি পাগল ? আমি তো তোকে ভালোবাসি । কাল রাতে তোর খুব কষ্ট হচ্ছিলো তাই না ? তখন কিন্তু আমারো খুব কষ্ট হচ্ছিলো । তোর বুকে মনে হয় খুব ব্যথা হচ্ছিলো বিশ্বাস কর আমারো না তখন বুকটা ফেটে যাচ্ছিলো । তোর যখন শ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছিলো তখন না আমিও শ্বাস নেই নি । তুই ওই রকম কেন করতে গেলি বল তো । জানিসি তো আমি তোকে খুব ভালোবাসি । আমি যখন তোর গলাটা টিপে ধরে ছিলাম তখন তোর খুব কষ্ট হচ্ছিলো তাই না । আচ্ছা তুই বল আমি কি তোকে অন্য কারো হতে দিতে পারি ? আমি তো তোকে অনেক অনেক ভালোবাসি । অথচ দেখ এরা সবাই বলে আমি নাকি খুনি ! আমি পাগল ! জানিস এরা না আমাকে কোথায় জানি রেখে গেছে । এখানে না কি জানি একটা দিয়ে আমাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখে । আমার না খুব ঘুম ধরে তখন । মাঝে মাঝে না কি জানি একটা দিয়ে আমাকে শর্ট দেয় । আমার না তখন খুব কষ্ট হয় মনে হয় তোর কাছে চলে যাই । জানিস একটা নার্স আপু না আমাকে খুব আদর করে । অন্য সবার মতো আমাকে পাগল বলে না আমাকে প্রেমিক বলে ডাকে । আমি বলেছি আমাকে আরোবির প্রেমিক বলবা । তাহলে ওষুধ খাবো না হলে কিন্তু খাবো না । আমি না খেয়ে আরোবির কাছে চলে যাবো । তোর চুলগুলো না আমি লুকিয়ে রেখেছি । এরা কেউ জানে না । এদের বলা যাবে না বললে এরা নিয়ে নেবে আর দেবে না । তোর চুলে সেই ঘ্রাণটা কেন জানি আর নেই । ওইটা কি তুই নিয়ে গেছিস । তুই জানিস না তোর সেই ভেজা চুলের ঘ্রাণটা না পেলে আমি পাগল হয়ে যাবো । তোর নেইল পালিশ দেয়া নখ গুলোও না আমার কাছে আছে । ওইটা ঠিক আগের মতোই আছে । আমি খুব যত্ন করে রেখে দিয়েছি । তোর হাতটা না আমি আনি নি, তুই তো আমার হাতটা ধরতে চাস নি । এরা বলেছিলো কি জানিস এরা তোকে অন্ধকার কোথায় জানি রেখে আসবে । ওখান থেকে কেউ নাকি আর ফিরে আসে না । সেজন্যাই তো আমি তোকে কেটে কেটে ড্রীপ ফ্রিজে রেখে দিয়েছিলাম । অথচ দেখ এরা বলে আমি নাকি খুনি ? আমি যখন ধারালো ছুরিটা দিয়ে তোর শরীরটা কেটে টুকরো টুকরো করেছিলাম তখন তোর খুব কষ্ট হচ্ছিলো তাই না ? জানিস তখন না আমার একটুও কষ্ট হয় নি । তুই ওই শরীরটা অন্য কাউকে দিয়ে দিতি তাই না ? সেজন্যই তো আমি তোকে কেটে কেটে ড্রীপ ফ্রিজে রেখে দিয়েছিলাম । অথচ দেখ এরা বলে আমি নাকি পাগল !
একটা ছেলে আর একটা মেয়ের বন্ধুতটা যদি একটু বেশি গভীরে যায় তাহলে হয়তোবা সেটা ভালোবাসায় রুপান্তর হতে পারে । কিন্তু ভালোবাসা যদি খুব বেশী গভীরে যায় তাহলে কি সেটা পাগলামি । আমার কাছে মনে হয়েছে ছেলেটা মেয়েটাকে খুব বেশি ভালোবাসে । শুধু জীবন দিয়ে সেটা প্রকাশ করা যেতো না । সেজন্যই হয়তোবা প্রেমিক কে দুরে চলে যাওয়ার ভয়ে নিজেই মেরে ফেলেছিলো । আর তার পর যা করেছিলো সেটাকে পাগলামী বলা যায় না সেটাই ছিলো সত্যিকারে ভালোবাসা !
No comments:
Post a Comment