ডাক্তার জুয়েল সাহেবের ওখানে একবার যেতে হবে । সেই যে বারো টাকা এখনো দেয়াই হয় নি । মাথায় কিছুই নাই আমার । বেশি কিছু মনে রাখতে পারি না । মনে হয় স্মৃতি শক্তি সংরক্ষণের জায়গা এক কিলোবাইটের চেয়েও কম । বাসাটা এদিকেই কোথাও হবে । ভুলে যাবার তো কথা না । বাসা খুঁজে পেতে খুব বেশি একটা কষ্ট হলো না আমার । এবার বড় করে সাইন বোর্ড লাগিয়েছে ।
টুং টুং...আমি ভেবেছিলাম এরকম একটা শব্দ হবে । ব্যাটারি মনে হয় শেষ । দরজায় কড়া নাড়লাম আমি । দরজা যে খুললো তাকে আমি এর আগেও দেখেছি । খুব পরিচিত একটা মুখ । আজ কেন জান মেয়েটা শাড়ী পরেছে । নাকি এই মেয়ে সব সময় শাড়ী পরেই থাকে কে জানে ?
-নিরা কেমন আছো ?
-ভালো আছি । আপনি কেমন আছেন ?
-আমি আছি ভালো খারাপের মাঝামাঝি ।
-ভেতরে আসুন ।
-হুম ! চা খাওয়ার জন্য এলাম । তোমার কাছে কিন্তু আমার এক কাপ চা পাওনা আছে । মনে আছে ?
-হ্যা । খুব মনে আছে । আপনি বসুন আমি চা বানিয়ে নিয়ে আসি ।
আমি বসে আসি । এটা সেটা নিয়ে ভাবতে ছিলাম । ভাবনার জগতে কখন ডুব দিয়ে ছিলাম মনে নেই । আমি বাস্তবে ফিরে আসলাম নিরার ডাকে । এতো জোড়ে কেউ ডাকে !
-এই যে উঠুন । আপনার চা ।
-চায়ের জন্য ধন্যবাদ । জুয়েল ভাই নাই ?
-আব্বু আপনার ভাই হলো কিভাবে ?
-তাতে অসুবিধা কি ?
-অসুবিধা আছে ।
-আমি তো কোন অসুবিধা দেখছি না ।
-আব্বু আপনার ভাই হলে আপনি আমার চাচা হবেন ।
-তাতে কি হবে । চাচা বলেই ডেকো । ভালোই তো লাগে শুনতে ।
নিরা মনে হয় রেগে গিয়েছে । জগতের নিয়মটা একটু কেমন জানি । রেগে যাওয়া কোন মেয়ের উপের এক ধরনের মায়া পরে যায় । রাগলে মনে হয় একটু বেশিই সুন্দর লাগে মেয়েদের । তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন কখনো মাত্রা অতিক্রম না করে ।
-আমি আপনাকে কিছু বলবো ।
-আজ আর শুনবো না । অন্য কোন দিন না হয় শোনা যাবে ।
-আমি এখনি বলবো ।
-আমাকে এখন যেতে হবে । এখানে বারো টাকা আছে । তোমার আব্বু এলে দিও ।
-লাগবে না ।
-লাগবে !
আমি জানি টাকাটা এবারো দেয়া হবে না । হয়তোবা এটার জন্য দেখা হবে ওর সাথে আরেক বার । আমি চলে আসতে লাগলাম । নিরার ডাকে আবারো থেমে যেতে হলো আমাকে ।
-আমাকে যেতে হবে নিরা ।
-আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করবো ।
-আমার জন্য অপেক্ষা করো না । আমি আর আসবো না ।
নিরার চোখে রয়েছে এক অনাকাঙ্ক্ষিত অপেক্ষা । যে অপেক্ষার শেষ প্রান্ত থেকে গড়িয়ে পরছে কয়েক ফোটা শিশির বিন্দু । সে অপেক্ষা কখনো শেষ হবে না । আমি জানি ওর সেই না বলা কথা গুলো কি । কিন্তু আমি যে পারবো না সে কথা রাখতে । আমি যে আমার আরবির !
আমি আবার হাটতে লাগলাম । আজকের দিনটা কেমন জানি । অন্য সব দিনের মতো না । সূর্যটাও আমার মতো ফেকাসে । সূর্যের কড়া রোদ আমার মাথার উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে । সেই রোদ আমার চোখে একটা ঝাপছা আবরণের সৃষ্টি করেছে । সেজন্যই হয়তোবা আমি খুঁজে পাই প্রকৃতির অদ্ভুত মায়াজাল গুলো । আমি যখন হাটি প্রকৃতি আমাকে ডাকে । আমি খুঁজে বেড়াই সেসবের প্রকৃত মানে । আজকেও ডাকছে । এই তো আমাকে ডাকছে । হাসছে ওরা । হাসবে কেন ? দুরের আকাশটা সামনে রেখে আমি হেটে চলেছি অজানা সেই গন্তব্যে । কেউ জেনো আমাকে পিছন থেকে ইশারা দিচ্ছে । বুজাতে চাইছে কিছু না বলা কথা । কিন্তু আজ আর আমার পিছনে তাকাতে মন চাচ্ছে না । আজ না হয় আমি হেটেই চলি ।
-এই যে অদ্ভুত ভবঘুরে এতবার ডাকছি ! শুনতে পাওনা নাকি ?
-জ্বি পাই ।
-এই ফোনটা কি তোমার ?
-জ্বি । কিন্তু এটা আপনার কাছে কিভাবে গেল ?
-হাটার সময় তোমার পাঞ্জাবীর পকেট থেকে পড়ে গেছে । তুমি খেয়াল করো নি । এর পর হাটর সময় একটু সাবধানে হেটো ।
-জ্বি আচ্ছা ।
-তুমি কি আমাকে চিনতে পেরছো ? তোমার সাথে আমার এর আগেও একবার দেখা হয়েছিল ।
-না চিনতে পারি নি ।
-চিনতে না পারাটাই ভালো । আমি কি একটা ধন্যবাদ পেতে পারি ?
-আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
আমি এর আগেও বেশ কয়েক বার মোবাইল হারিয়েছি । কিন্তু ওভাবে কেউ ফেরত দেয় নি । পৃথিবীতে এখনো কিছু ভালো মানুষ আছে । শুধু মাত্র খারাপটাকে চোখ দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার জন্য । এরা যেদিন থাকবে না সেদিন হয়তোবা খারাপগুলোও আমাদের ভালো মনে হবে । লোকটাকে কি আমার চেনার কথা ? আমি জানি না । আরোবির সাথে কথা বলতে মন চাচ্ছে । ওর সেই মিষ্টি কণ্ঠটা শুনতে ইচ্ছে করছে খুব ।
টুং টুং...আমি ভেবেছিলাম এরকম একটা শব্দ হবে । ব্যাটারি মনে হয় শেষ । দরজায় কড়া নাড়লাম আমি । দরজা যে খুললো তাকে আমি এর আগেও দেখেছি । খুব পরিচিত একটা মুখ । আজ কেন জান মেয়েটা শাড়ী পরেছে । নাকি এই মেয়ে সব সময় শাড়ী পরেই থাকে কে জানে ?
-নিরা কেমন আছো ?
-ভালো আছি । আপনি কেমন আছেন ?
-আমি আছি ভালো খারাপের মাঝামাঝি ।
-ভেতরে আসুন ।
-হুম ! চা খাওয়ার জন্য এলাম । তোমার কাছে কিন্তু আমার এক কাপ চা পাওনা আছে । মনে আছে ?
-হ্যা । খুব মনে আছে । আপনি বসুন আমি চা বানিয়ে নিয়ে আসি ।
আমি বসে আসি । এটা সেটা নিয়ে ভাবতে ছিলাম । ভাবনার জগতে কখন ডুব দিয়ে ছিলাম মনে নেই । আমি বাস্তবে ফিরে আসলাম নিরার ডাকে । এতো জোড়ে কেউ ডাকে !
-এই যে উঠুন । আপনার চা ।
-চায়ের জন্য ধন্যবাদ । জুয়েল ভাই নাই ?
-আব্বু আপনার ভাই হলো কিভাবে ?
-তাতে অসুবিধা কি ?
-অসুবিধা আছে ।
-আমি তো কোন অসুবিধা দেখছি না ।
-আব্বু আপনার ভাই হলে আপনি আমার চাচা হবেন ।
-তাতে কি হবে । চাচা বলেই ডেকো । ভালোই তো লাগে শুনতে ।
নিরা মনে হয় রেগে গিয়েছে । জগতের নিয়মটা একটু কেমন জানি । রেগে যাওয়া কোন মেয়ের উপের এক ধরনের মায়া পরে যায় । রাগলে মনে হয় একটু বেশিই সুন্দর লাগে মেয়েদের । তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন কখনো মাত্রা অতিক্রম না করে ।
-আমি আপনাকে কিছু বলবো ।
-আজ আর শুনবো না । অন্য কোন দিন না হয় শোনা যাবে ।
-আমি এখনি বলবো ।
-আমাকে এখন যেতে হবে । এখানে বারো টাকা আছে । তোমার আব্বু এলে দিও ।
-লাগবে না ।
-লাগবে !
আমি জানি টাকাটা এবারো দেয়া হবে না । হয়তোবা এটার জন্য দেখা হবে ওর সাথে আরেক বার । আমি চলে আসতে লাগলাম । নিরার ডাকে আবারো থেমে যেতে হলো আমাকে ।
-আমাকে যেতে হবে নিরা ।
-আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করবো ।
-আমার জন্য অপেক্ষা করো না । আমি আর আসবো না ।
নিরার চোখে রয়েছে এক অনাকাঙ্ক্ষিত অপেক্ষা । যে অপেক্ষার শেষ প্রান্ত থেকে গড়িয়ে পরছে কয়েক ফোটা শিশির বিন্দু । সে অপেক্ষা কখনো শেষ হবে না । আমি জানি ওর সেই না বলা কথা গুলো কি । কিন্তু আমি যে পারবো না সে কথা রাখতে । আমি যে আমার আরবির !
আমি আবার হাটতে লাগলাম । আজকের দিনটা কেমন জানি । অন্য সব দিনের মতো না । সূর্যটাও আমার মতো ফেকাসে । সূর্যের কড়া রোদ আমার মাথার উপর দিয়ে চলে যাচ্ছে । সেই রোদ আমার চোখে একটা ঝাপছা আবরণের সৃষ্টি করেছে । সেজন্যই হয়তোবা আমি খুঁজে পাই প্রকৃতির অদ্ভুত মায়াজাল গুলো । আমি যখন হাটি প্রকৃতি আমাকে ডাকে । আমি খুঁজে বেড়াই সেসবের প্রকৃত মানে । আজকেও ডাকছে । এই তো আমাকে ডাকছে । হাসছে ওরা । হাসবে কেন ? দুরের আকাশটা সামনে রেখে আমি হেটে চলেছি অজানা সেই গন্তব্যে । কেউ জেনো আমাকে পিছন থেকে ইশারা দিচ্ছে । বুজাতে চাইছে কিছু না বলা কথা । কিন্তু আজ আর আমার পিছনে তাকাতে মন চাচ্ছে না । আজ না হয় আমি হেটেই চলি ।
-এই যে অদ্ভুত ভবঘুরে এতবার ডাকছি ! শুনতে পাওনা নাকি ?
-জ্বি পাই ।
-এই ফোনটা কি তোমার ?
-জ্বি । কিন্তু এটা আপনার কাছে কিভাবে গেল ?
-হাটার সময় তোমার পাঞ্জাবীর পকেট থেকে পড়ে গেছে । তুমি খেয়াল করো নি । এর পর হাটর সময় একটু সাবধানে হেটো ।
-জ্বি আচ্ছা ।
-তুমি কি আমাকে চিনতে পেরছো ? তোমার সাথে আমার এর আগেও একবার দেখা হয়েছিল ।
-না চিনতে পারি নি ।
-চিনতে না পারাটাই ভালো । আমি কি একটা ধন্যবাদ পেতে পারি ?
-আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
আমি এর আগেও বেশ কয়েক বার মোবাইল হারিয়েছি । কিন্তু ওভাবে কেউ ফেরত দেয় নি । পৃথিবীতে এখনো কিছু ভালো মানুষ আছে । শুধু মাত্র খারাপটাকে চোখ দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার জন্য । এরা যেদিন থাকবে না সেদিন হয়তোবা খারাপগুলোও আমাদের ভালো মনে হবে । লোকটাকে কি আমার চেনার কথা ? আমি জানি না । আরোবির সাথে কথা বলতে মন চাচ্ছে । ওর সেই মিষ্টি কণ্ঠটা শুনতে ইচ্ছে করছে খুব ।
-হ্যালো আরোবি ।
-হ্যালো
-কেমন আছো ?
-জানি না । তুমি কেমন আছো ?
-এইতো ভালো খারাপের মাঝামাঝি । তুমি কি আজ আমার সাথে একটু দেখা করতে পারবে ।
-তুমি সত্যি আমার সাথে দেখা করবে ?
-হুম সত্যি দেখা করবো ।
-কোথায় আসবো ?
-যেখানে তোমার সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল । নীল শাড়ীটা পরে এসো । কপালে সুন্দর করে লাল টিপটা দিও !
আরোবির কাছে যাবো আমি । কতদিন ওকে দেখি না । শেষ বার যখন দেখেছিলাম ও খুব কেঁদেছিল । আমি জানি আজ আমাকে দেখে ও খুব হাসবে । আমিও যে আজ বলবো ভালোবাসি । হাটতে হাটতে আমি আজ খুব ক্লান্ত । একটু বিশ্রামের দরকার । পাশের রাস্তাতে কি আমি একটু বসবো ? না সময় যে নেই আমার । কারো সাথে যে আজ দেখা করতে হবে । আমি যে ওকে কথা দিয়েছি । আমি চলছি ! আমি চলছি আমার মতোই । দুরের আকাশটার পথ ধরে । যেখানে নীল আকাশে দিগন্ত মিশে গিয়েছে । বাবুই পাখিটা উড়ে চলেছে রংহীন কোন এক মেঘের প্রান্তে । কোন এক বিকট শব্দে আমি থেমে গেলাম । শরীরটা মাটিতে নুয়ে পড়ছে নিমেষেই । রাস্তার মানুষ গুলো তাকিয়ে আছে আমার দিকে । শরীরের তাজা রক্ত গুলো আমার হাতটাকে মেহেদি রংয়ে রাঙ্গিয়ে দিয়েছে । পৃথিবীকে শেষবারের মতো আমি দেখতে লাগলাম । কতো কিছুই না ঘটে চলেছে গোলাকার এই পৃথিবীতে । আজ আমি পৃথিবীর মায়াজাল থেকে মুক্ত !
.
“ আমি জানি তুমি কখনো আসবে না । কখনো কি তোমার কোন অস্তিত্ব ছিল ? তুমি ছিলে আমার জীবনে একজন অস্তিত্বহীন মানব । তারপরেও আজ আমি এসেছি । হয়তোবা খুব বেশি ভালোবাসি বলে । তোমার অপেক্ষায় কতো রাত একা পারি দিয়েছি আমি । আমিও যে আজ ক্লান্ত । আর কতো অপেক্ষা করাবে আমাকে । এবার না হয় একটু এসো । আমার হাতটা একটু শক্ত করে ধরেই দেখো আমি তোমার কতোটা আপন । আমি যে তোমাকে ভালোবাসি । হয়তোবা খুব বেশি । আমিই যে তোমার আরোবি ”
.
মেহেদী হাসান মিহি
০৭.০৮.২০১৫
-হ্যালো
-কেমন আছো ?
-জানি না । তুমি কেমন আছো ?
-এইতো ভালো খারাপের মাঝামাঝি । তুমি কি আজ আমার সাথে একটু দেখা করতে পারবে ।
-তুমি সত্যি আমার সাথে দেখা করবে ?
-হুম সত্যি দেখা করবো ।
-কোথায় আসবো ?
-যেখানে তোমার সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল । নীল শাড়ীটা পরে এসো । কপালে সুন্দর করে লাল টিপটা দিও !
আরোবির কাছে যাবো আমি । কতদিন ওকে দেখি না । শেষ বার যখন দেখেছিলাম ও খুব কেঁদেছিল । আমি জানি আজ আমাকে দেখে ও খুব হাসবে । আমিও যে আজ বলবো ভালোবাসি । হাটতে হাটতে আমি আজ খুব ক্লান্ত । একটু বিশ্রামের দরকার । পাশের রাস্তাতে কি আমি একটু বসবো ? না সময় যে নেই আমার । কারো সাথে যে আজ দেখা করতে হবে । আমি যে ওকে কথা দিয়েছি । আমি চলছি ! আমি চলছি আমার মতোই । দুরের আকাশটার পথ ধরে । যেখানে নীল আকাশে দিগন্ত মিশে গিয়েছে । বাবুই পাখিটা উড়ে চলেছে রংহীন কোন এক মেঘের প্রান্তে । কোন এক বিকট শব্দে আমি থেমে গেলাম । শরীরটা মাটিতে নুয়ে পড়ছে নিমেষেই । রাস্তার মানুষ গুলো তাকিয়ে আছে আমার দিকে । শরীরের তাজা রক্ত গুলো আমার হাতটাকে মেহেদি রংয়ে রাঙ্গিয়ে দিয়েছে । পৃথিবীকে শেষবারের মতো আমি দেখতে লাগলাম । কতো কিছুই না ঘটে চলেছে গোলাকার এই পৃথিবীতে । আজ আমি পৃথিবীর মায়াজাল থেকে মুক্ত !
.
“ আমি জানি তুমি কখনো আসবে না । কখনো কি তোমার কোন অস্তিত্ব ছিল ? তুমি ছিলে আমার জীবনে একজন অস্তিত্বহীন মানব । তারপরেও আজ আমি এসেছি । হয়তোবা খুব বেশি ভালোবাসি বলে । তোমার অপেক্ষায় কতো রাত একা পারি দিয়েছি আমি । আমিও যে আজ ক্লান্ত । আর কতো অপেক্ষা করাবে আমাকে । এবার না হয় একটু এসো । আমার হাতটা একটু শক্ত করে ধরেই দেখো আমি তোমার কতোটা আপন । আমি যে তোমাকে ভালোবাসি । হয়তোবা খুব বেশি । আমিই যে তোমার আরোবি ”
.
মেহেদী হাসান মিহি
০৭.০৮.২০১৫
No comments:
Post a Comment